আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এ আওয়ামী লীগ আমলের শতাধিক গুম ও খুনের মামলায় অভিযুক্ত অবসরপ্রাপ্ত মেজর জেনারেল জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে দ্বিতীয় দিনের মতো সাক্ষ্য দিতে যাচ্ছেন মূল তদন্ত কর্মকর্তা মো. রফিকুল ইসলাম। রোববার ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন বিচারিক প্যানেলে তার অসম্পন্ন জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।
গত ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার ১৫তম সাক্ষী হিসেবে রফিকুল ইসলামের আংশিক জবানবন্দি গ্রহণ করা হয়েছিল। আজ তিনি তদন্তের বিভিন্ন পর্যায়ে সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণ, আলামত এবং কীভাবে তা অভিযুক্তের সঙ্গে সম্পর্কিত, তার বিস্তারিত বিবরণ তুলে ধরবেন। প্রসিকিউশনের তথ্য অনুযায়ী, এ পর্যন্ত ১৫ জন সাক্ষীর মাধ্যমে অভিযোগগুলো প্রমাণ করা গেছে। তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি ও জেরা শেষ হলে আসামিপক্ষ সাফাই সাক্ষ্য দেওয়ার সুযোগ পাবে এবং পরবর্তীতে যুক্তিতর্ক শুরু হবে।
এর আগে ২৭ সেপ্টেম্বর জব্দকৃত আলামতের বিষয়ে সাক্ষ্য দেন কামরুল ইসলাম এবং শেষ চাক্ষুষ সাক্ষী র্যাবের সাবেক কর্মকর্তা মেজর (অব.) সাব্বির রহমানের জেরা শেষ হয়। জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট তিনটি অভিযোগ রয়েছে: ২০১১ সালে গাজীপুরের পুবাইলে তাঁর উপস্থিতিতে তিনজনকে হত্যা, এবং ২০১০ থেকে ২০১৩ সালের মধ্যে বরগুনার বলেশ্বর নদী ও সুন্দরবন এলাকায় তথাকথিত বনদস্যু দমনের নামে ১০০ জনকে হত্যার অভিযোগ। এসব অভিযোগে গত বছরের ১৭ ডিসেম্বর অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে ২৩ ডিসেম্বর তাঁকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল।

মন্তব্য করুন
মন্তব্য সমূহ
এখনো কোনো মন্তব্য নেই। প্রথম মন্তব্য করুন!