ঐতিহাসিক ৭ই নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষ্যে দেশবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন আরাফাত রহমান কোকো ক্রীড়া সংসদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান বুলু।
এক বিবৃতিতে তিনি সিপাহি-জনতার অবিস্মরণীয় বিপ্লবের চেতনায় উদ্বুদ্ধ হয়ে দলমত-নির্বিশেষে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে দুর্নীতি, বৈষম্য ও ষড়যন্ত্রের অবসান ঘটিয়ে একটি গণতান্ত্রিক, ন্যায়ভিত্তিক, মানবিক ও নিরাপদ বাংলাদেশ গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
আব্দুর রহমান বুলু 'দৈনিক প্রথম বেলা' কে বলেন, “১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার যুগান্তকারী বিপ্লবে অংশগ্রহণকারী বীর সেনানী ও দেশপ্রেমিক জনতার প্রতি আমি বিনম্র শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। ঐতিহাসিক ৭ নভেম্বর আমাদের জাতীয় জীবনে একটি অবিস্মরণীয় দিন এবং দেশের ইতিহাসের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সন্ধিক্ষণ।”
তিনি 'দৈনিক প্রথম বেলা' কে বলেন, তৎকালীন অপশাসন, দুর্নীতি, নৈরাজ্য ও আধিপত্যবাদী ষড়যন্ত্রের কঠিন সময়ে সিপাহি-জনতার বিপ্লবের মধ্য দিয়ে দেশ স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব ফিরে পায়। এর মাধ্যমে স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বন্দিদশা থেকে মুক্ত হন এবং জনগণের অকুণ্ঠ সমর্থনে রাষ্ট্র পরিচালনা ও জাতীয় সংকট উত্তরণের গুরুদায়িত্ব গ্রহণ করেন। দেশের সেই ক্রান্তিকালে তাঁর ভূমিকা ছিল ত্রাতার মতো।
২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের প্রসঙ্গ টেনে তিনি উল্লেখ করেন, ১৯৭৫ সালের সেই একই চেতনা পুনর্জাগরিত হয়েছে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে। ছাত্র-জনতা, নারী-পুরুষ ও সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের সুদৃঢ় ঐক্যে দীর্ঘ ১৬ বছরের ফ্যাসিবাদী শাসনের অবসান ঘটেছে এবং দেশ বড় ধরনের বিপর্যয় থেকে রক্ষা পেয়েছে।
শেষে আব্দুর রহমান বুলু বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান দেশে বহুদলীয় গণতন্ত্র, আইনের শাসন, বাক ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেছিলেন। আগামী দিনেও ‘সবার আগে বাংলাদেশ’ দর্শনের ভিত্তিতে দেশ পরিচালিত হবে, যেখানে জাতীয় স্বার্থ, সাম্য, ন্যায্যতা ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে।