দেশে এলপিজির কোনো সংকট নেই এবং সরবরাহ সন্তোষজনক রয়েছে উল্লেখ করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামেই এলপিজি বিক্রির নির্দেশ দিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি)। চট্টগ্রাম থেকে ১ অক্টোবর এক বিজ্ঞপ্তিতে সংগঠনটি জানায়, গত আগস্ট ও সেপ্টেম্বর মাসে চাহিদার চেয়েও বেশি এলপিজি আমদানি করা হয়েছে, তাই বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির কোনো সুযোগ নেই।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রণালয়ের সাথে বৈঠকের পর এই সিদ্ধান্ত জোরদার করা হয়েছে এবং জেলা প্রশাসকদেরও বাজার মনিটর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত দামএই সংবাদ প্রতিবেদনটির মূল বিষয়বস্তুর একটি সংক্ষিপ্ত সারসংক্ষেপ নিচে দেওয়া হলো:
নির্ধারিত দামে বিক্রির নির্দেশ: দেশে এলপিজির পর্যাপ্ত সরবরাহ থাকায় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশনের (বিইআরসি) নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রির জন্য সদস্য কোম্পানি, পরিবেশক, ডিলার ও খুচরা বিক্রেতাদের কঠোর নির্দেশ দিয়েছে এলপিজি অপারেটরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (এলওএবি)।
পর্যাপ্ত আমদানি ও সরবরাহ: এলওএবি সভাপতি মোহাম্মদ আমিরুল হক জানান, সেপ্টেম্বরে ১.৫৬ লাখ মেট্রিক টন এবং আগস্টে ১.৫৮ লাখ মেট্রিক টন এলপিজি আমদানি করা হয়েছে। ফলে বাজারে কৃত্রিম সংকট তৈরির কোনো সুযোগ নেই।
আইনি ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি: বেশি দামে বিক্রি বা অবৈধভাবে মজুত করলে তা আইনের লঙ্ঘন হিসেবে গণ্য হবে এবং অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
প্রশাসনিক নজরদারি: জেলা প্রশাসকদের (ডিসি) এলপিজির বাজার মনিটর করার কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন জ্বালানি মন্ত্রী। ভোক্তাদের অধিকার সুরক্ষায় এলওএবি প্রশাসনিক কর্তৃপক্ষ ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সঙ্গে কাজ করবে বলে জানিয়েছে।