অনুসন্ধানে জানা গেছে, হাফিজ ও তার লাঠিয়াল বাহিনী বাজারের প্রতিটি দোকানদারের কাছ থেকে প্রতিদিন নির্দিষ্ট অঙ্কের টাকা চাঁদা হিসেবে জোরপূর্বক আদায় করে। সাধারণ ব্যবসায়ীরা মুখ খুললেই তাদের ওপর নেমে আসে নানা ধরণের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন। বছরের পর বছর ধরে চলা এই চাঁদাবাজির কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছেন সাধারণ ব্যবসায়ী ও এলাকাবাসী।
এই অনিয়ম, দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির তথ্য সংগ্রহ করতে গেলে গণমাধ্যমের ওপরও চড়াও হয় এই চক্রটি। অনুসন্ধান চলাকালে সংবাদকর্মীকে মোবাইল ফোনে সরাসরি যোগাযোগ করে উত্তরা এলাকায় পেলে প্রকাশ্যে হত্যা করার চরম হুমকি দেওয়া হয়। প্রকাশ্য দিবালোকে গণমাধ্যমকর্মীকে জীবননাশের হুমকি দেওয়ায় প্রমাণিত হয় যে, এই চক্রের সদস্যরা কতটা বেপরোয়া ও অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডে অভ্যস্ত।
রেলওয়ের মতো গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে জবরদখল করে এমন প্রকাশ্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড চললেও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কার্যকর কোনো জোরালো পদক্ষেপ বা নিয়মিত অভিযান চোখে পড়ছে না। আইনের সঠিক প্রয়োগের অভাবে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে চাঁদাবাজ হাফিজ ও তার সহযোগীরা।
স্থানীয় সচেতন মহল ও ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীরা অবিলম্বে এই অপরাধী চক্রের মূলহোতা হাফিজ ও তার সহযোগীদের দ্রুত গ্রেপ্তার করে আইনের আওতায় আনার জোর দাবি জানিয়েছেন। একইসঙ্গে রেলওয়ের জমি দখলমুক্ত করে এলাকায় সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কঠোর হস্তক্ষেপ কামনা করা হয়েছে।