বর্তমান সরকারের আশপাশে থাকা চাটুকাররাই সরকারকে ধ্বংসের মুখে ঠেলে দেবে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদ। শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে ১১ দলীয় জোটের ঢাকা-চট্টগ্রাম লংমার্চ শেষে চট্টগ্রামের লালদিঘি মাঠে আয়োজিত সমাপনী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।
কর্নেল অলি বলেন, ১১ দলীয় জোট সরকারের কোনো ক্ষতি করতে চায় না, বরং প্রকৃত বন্ধু হিসেবে সঠিক পথে থাকার পরামর্শ দিচ্ছে। তবে সরকারের স্থায়িত্ব নিয়ে জনমনে সংশয় তৈরি হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, অতীতে কোনো সরকার ক্ষমতায় আসার দুই-ছয় মাসের মধ্যে এমন কথা শোনা যায়নি যে সেই সরকার টিকবে না।
দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক ও সামাজিক পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি দাবি করেন, বাংলাদেশ বর্তমানে অর্থনৈতিকভাবে পঙ্গু ও কোণঠাসা অবস্থায় রয়েছে এবং নতুন নোট ছাপিয়ে দেশ চালাতে হচ্ছে। ছয় মাসের মধ্যে এক লাখ বেকারকে চাকরি দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও উল্টো এক লাখ মানুষের চাকরি চলে গেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি। এছাড়া বিচারব্যবস্থার দীর্ঘসূত্রিতা, ত্রাণ বিতরণে অনিয়ম এবং দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির সমালোচনা করেন এলডিপি চেয়ারম্যান।
ভারতের সংশ্লিষ্টতা এবং নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে ঘিরে ১১ দলীয় জোটের বিরুদ্ধে বড় ধরনের ষড়যন্ত্র চলছে বলে দাবি করে তিনি বলেন, এই জোট ক্ষমতায় এলে চাঁদাবাজি, দখলবাজি ও দুর্নীতি বরদাশত করা হবে না। গণভোটের গণরায় বাস্তবায়ন ও জুলাই গণহত্যার বিচারসহ ছয় দফা দাবি আদায়ে আয়োজিত এই লংমার্চে বিশাল জনসমাগম হয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, দেশের মানুষ শান্তি ও নিরাপত্তা না পেয়ে বাধ্য হয়ে রাজপথে নেমেছে।